একজন নারীকে টেনে তোলা হচ্ছে…

কিন্তু ততক্ষণে তিনি মারাত্মকভাবে পিষ্ট হয়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে,

নিথর দেহটা যেন নীরব ভাষায় বলে দেয় সে কত কষ্টে মৃত্যু বরন করেছে।

আরেক পাশে—

এক যুবক,কাধে ব্যাগ,ঈদের কেনাকাটা, হাত-পা ভাঙা, রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

চোখে অসহায়তা, মুখে যন্ত্রণার ছাপ

শরীর থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে— পকেটে থাকা মোবাইল হয়তো লন্চের চাপে ব্লাস্ট করছে,তাই ধোয়া বের হচ্ছে। কতটা নিষ্ঠুর, বেপরোয়া চাপ শরীরের উপর দিয়ে গেলে এমন ঘটতে পারে।ভাবুন।

কিন্তু সময় যেন থেমে গেছে তার জন্য।

চারপাশে বিশৃঙ্খলা, কান্না, মানুষের দৌড়ঝাঁপ…

মনে হচ্ছিল, এই দৃশ্য কোনো বাস্তব নয়—

একটা দুঃস্বপ্ন!

আরও ভয়াবহ করে তুলেছে পুরো ঘটনাটাকে।

কি দুর্বিষহ… কি অকল্পনীয়…

এমন নির্মম দৃশ্য, যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

যারা একটু আগেও ভাবছিল—

“ঈদে বাড়ি গিয়ে সবাইকে জড়িয়ে ধরবো…”

তাদের সেই ফেরা আর হলো না।

ঈদের আনন্দ রয়ে গেল অপূর্ণ…

ভিডিও টি কয়জন দেখছেন জানি না।।শেষ পর্যন্ত সবাই দেখতে পারবে না এতটাই মর্মান্তিক করুন দৃশ্য ছিলো এখানে।এর দায়ভার আসলে কার?